বন অধিদপ্তর গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার
মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
সর্ব-শেষ হাল-নাগাদ: ১১ জুন ২০১৭

উপকূলীয় বনায়নে অর্জিত সাফল্য

 

 

 

বাংলাদেশ বিশ্বে সর্বপ্রথম উপকূলীয় চরাঞ্চলে সফল বনায়নকারী দেশ। বন বিভাগ কর্তৃক উপকূলীয় বনায়ণের সফলতা প্রত্যক্ষ করে সরকার উপকূলীয়  ১২ লক্ষ ৩৬ হাজার একর (প্রায় ৫ লক্ষ  হেক্টর) এলাকা বনায়নের লক্ষ্যে পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয় এর নিকট হস্তান্তর ও বন আইনের ৪ ধারায় সংরক্ষিত ঘোষণা করেছেন। 

 

  • বন বিভাগ ২০১৬ সাল পর্যন্ত প্রায় ২ লক্ষ হেক্টর (প্রায় ৫ লক্ষ একর) চরাঞ্চলে বনায়নের মাধ্যমে নয়নাভিরাম উপকূলীয় বন প্রতিষ্ঠা করেছে।
  • উপকূলীয় চর বনায়নের প্রভাবে স্থায়িত্ব অর্জন করায় সাগর থেকে জেগে ওঠা ১ লক্ষ ১২ হাজার ৬ একর জমি শস্য উৎপাদনের জন্য ভূমি মন্ত্রণালয়ে হস্তান্তর করা হয়েছে। আরও প্রায় ৫০ হাজার একর বনায়ন কৃত ভুমি হস্তান্তরের অপেক্ষায় আছে।
  • তাছাড়াও ম্যানগ্রোভ বনায়নের পাশাপাশি উপকূলীয় জেলাসমূহে নন-ম্যানগ্রোভ ৮৮৬০ হেক্টর, গোলপাতা ১৯০ হেক্টর, নারিকেল ১০ হেক্টর, এরিকা ৪০ হেক্টর, বাঁশ ও বেত ২৮০ হেক্টর, রাস্তার ধারে ৪৮৫০ হেক্টর (রূপান্তরিত) বনায়ন করা হয়েছে।

উপকূলীয় সৃজিত বন নোয়াখালী, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, পটুয়াখালী ও ভোলা জেলার উপকূলে পর্যটন বিকাশের দ্বার উন্মোচন করেছে। উপকূলের বন সবুজ বেষ্ঠনী হিসাবে জনগণকে প্রাকৃতিক দুর্যোগের প্রভাব থেকে মুক্ত করছে।

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 


Share with :